My Poem

The following poem has been published in www.bangla-kobita.com website.

হাম্বা


হাম্বা হাম্বা ডাকে গরু দড়ি বাঁধা খাম্বায়,
কোরবানিটা আসলে পরেই সবাই মাতে হাম্বায়।
গরুর পাশে মানুষেরও ডাক শুনি যে হাম্বা!
ওহে মানুষ! ছাগলামিতে কখন তুমি থামবা?


ওই গরুটার প্রাণ নেয়াতেই কোরবানি তো হয় না।
কি ছেড়েছো জীবন থেকে? ছাড়তে কিছুই সয় না?
ঈদ বলে তো লাফাচ্ছো খুব, কিনছো কাপড় দামী,
গরু ছাগল সব মিলিয়ে চালাচ্ছো পাগলামি!
জানলে পরে পরিণতি টেনশনে তো ঘামবা!!
মানুষ তুমি ছাগলামীতে কখন বলো থামবা?


অন্তরে যে পশু আছে কোরবানি দাও আগে,
কোরবানি দাও লোভ-লালসার যেটাই মনে জাগে।
পরের তরে এই সুযোগে অল্প নাহয় ছাড়লা
কম্পিটিশন বাদ দিয়ে আজ একটু নাহয় হারলা।
কোরবানির এই ঈদের আসল কারণ যখন জানবা
ছাগলামীতে তখন শেষে হয়তো তুমি থামবা।



১৩টি মন্তব্য


২৫ অক্টোবর ২০১৭
"আসরের কবিতা ও তার কাব্যিকতাঃ দশ" শিরোনামে আলোচনার পাতায় একটি লেখা দিলাম। আমার শুভেচ্ছা নেবেন কবি প্রিয়।
৭ নভেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
কোরবানীর উদ্দেশ্য সবার জানা থাকলেও এখন এটা স্ট্যাটাস বজায় রাখা ও গোশত খাওয়াটাই প্রধান উপলক্ষ হয়ে গিয়েছে। পেপারে দেখলাম, দরিদ্র মানুষদের জন্য মাংস নিয়ে যাবার সময় ডাকাতরা সেই ট্রাকে হামলা করেছে। কবিতা হয়েছে অসাধারণ। অভিনন্দন প্রিয় কবিকে
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
সেটাই। ধন্যবাদ আপনাকে।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
বলির উদ্দেশ্য এটাই। শুভেচ্ছা কবিবর।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
"অন্তরে যে পশু আছে কোরবানি দাও আগে, কোরবানি দাও লোভ-লালসার যেটাই মনে জাগে।" ঈদ-উল-আযহা'র এটাই মর্মবাণী; যা না বুঝেই আমরা উৎসবে করি মাতামাতি! যে উৎসবে গরীবের নেই কোন অংশগ্রহণ এ যেন স্রেফ মাংস খাবার আয়োজন! খুব ভাল লাগা ভাবনার চমৎকার কাব্যসুধা। শুভ কামনা রইল প্রিয় কবি।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ঈদের মূল কারণ ও মূল আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমরা নিজেদের মতো এক উৎসবে পরিণত করেছি একে। গরু কেনার ক্ষেত্রেও আজকাল চলে পরশীদের সাথে কম্পিটিশন, অথবা মাংসের ওজন হিসেব করে কেনা হয়। সংযমের মাস রমজানে খাবারের পিছনে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করি আমরা।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
কাল ফেবুতে পড়েছি দারুণ! লিখেছেন কিন্তু।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
যতই করো হম্বী, তম্বী, হাম্বা দুদিন পরে দুহাত খাদে নামবা চলতে চাইলেও সেদিন ঠিকই থামবা। শুভেচ্ছা কবি।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ :) কোরবানী ও রোজার আনন্দ হৈচৈ-এ আজকাল বিশুদ্ধতার চেয়ে প্রহসনই বেশি চোখে পড়ে। মূল উদ্দেশ্য থেকে অনেক সরে গেছি আমরা। সেটারই কিছু আক্ষেপ বের হয়েছে এই লেখায়। তবে ভাষাগত (শব্দগত) বেশ কিছু ত্রুটি আছে এখানে, যা অন্ত্যমিলের জন্য প্রয়োগ করেছি। তাই এটাকে মানসম্পন্ন লেখা বলতে পারছি না নিজেই।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
এ-কে-বা-রে অ-সা-ধা-র-ণ! তুলনাহীন মানবিক ভাবনার সুন্দর কাব্যিক প্রকাশ। শুভকামনা রইল কবিপ্রিয়।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ :)
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অসাধারণ!! অনেক শুভেচ্ছা রইলো প্রিয় কবি বন্ধু
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
দারুন দারুন। অসাধারন ভাবনার ফসল। অনেক অনেক শুভকামনা রইল প্রিয় কবি।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আটপৌরে কথায় জামদানি ভাবনা......... অপর্ণা***
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ প্রনব দা!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
শেষ স্তবক অসাধারণ... সত্যিকারের বিষয় ভাবনার দারুন ছন্দময় নান্দনিক কাব্যে অভিভূত!! প্রিয় কবির জন্য এক রাশ ঈদের রক্তিম শুভেচ্ছা ও গভীর ভালোবাসা রেখে গেলাম। ভালো থাকুন সবসময়!!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা!
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অসাধারণ, প্রিয় কবিকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন চিরকাল।-এই কামনা।
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ধন্যবাদ :)
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
"অন্তরে যে পশু আছে -------আগে " অসাধারণ লেখা। মুগ্ধ হলাম
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
সেটাই ছিলো কোরবানির মূল উদ্দেশ্য। নিজের স্বার্থ ও পশুত্বকে কোরবানি দেয়া।
মন্তব্য করুন